অফিসের বস যখন বউ || বাংলা রোমান্টিক গল্প ❤️❤️

4.9/5 - (14 votes)

আজকের গল্পের বিষয়ঃ অফিসের বস যখন বউ

বেশ কিছু দিন হল বাবার অফিসে ভিশন কাজের চাপ। আগে একটা ম্যনেজার ছিলো সে চলে গেছে রিজাইন দিয়ে। এখন সব কাজ বাবা দেখাশোনা করে। তবে নতুন কিছু ওডার আসার পর বাবা আমাকে কাল খাবার টেবিলে বল্ল আখি কাল অফিসে যাস তো মা, কাল আমাদের অফিসে একটা ম্যনেজার নিয়গ দিবো। কাল তার ইন্টারভিউ, আমি কাল চট্টগ্রাম যাবো অফিসের কাজে। আমি বললাম আচ্ছা বাবা। ঘুমাতে যাওযার আগে বাবা আমাকে একটা ফাইট ধরিয়ে দিয়ে বল্ল এখানে তার সব সিভি আছে। তুই শুধু আমাদের ব্যবসা সম্পর্কে একটু ব্যসিক ধারনা জানার চেস্টা করবি। আমি বললাম আচ্ছা বাবা।

ফাইট হাতে নিয়ে আমি আমার রুমে আসলাম। কি এক উটকো ঝামেলাই পড়লাম আমি মাত্র স্নাতক পাস করে আমাদের ব্যবসা সম্পর্কে একটু ধারনা নেওয়ার চেস্টা করছি আর এর মদ্ধে এক জন ম্যনেজারের ইন্টারভিউ নিবো? ভাবতে লাগলাম।

যাইহোক বিছানায় বসে ফাইলটি খুলে প্রথমে যা দেখলাম সেটা হল ছেলেটা দেখতে অনেক সুন্দর। তবে ছবিতে সবার সুন্দর লাগে সেটা ভেবে তার কোয়ালিফিকেশন দেখার জন্য নিচে চোখ রাখলাম। আর যা দেখলাম তার ক্যরিয়ারে কোথাও দ্বিতীয় হয়নি। অনেক ভাল রেজান্ট। দেখে বেশ চমকে গেলাম। আমার থেকে তিন বছরের সিনিয়র। বাবা আমাকে সিভি দেওয়ার সময় আরো বলেছিলো যে আমাদের ব্যবসা সম্পর্কে একটু ভাল ধারণা থাকলে স্যলারি ৩৫কে লিখে দিতে। আমি বাবাকে বলেছিলাম আচ্ছা।

অফিসের বস যখন বউ বাংলা রোমান্টিক গল্প ❤️❤️
অফিসের বস যখন বউ বাংলা রোমান্টিক গল্প

পর দিন আমি অফিসে যাওয়ার জন্য অন্যদিনের তুলনায় আগে উঠলাম ভাবছি কি কি আস্ক করা যাই। আবার অন্য দিকে না’র ভায় ও লাগছিলো। আমি অনার্স শেষ করেছি আর যার ইন্টারভিউ নিবো সে মাস্টার্স পাস।  তার পরও কিছুই করার নাই বাবা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। অন্য দিনের তুলনায় একটু বেশিই সাজ গোজ হয়ে গেলো। আমি অফিসে যাই দশটাই কিন্তু আজ একটু আগেই রওনা দিলাম। অফিসে যাওয়ার সময় লিফটের জন্য একটা ছেলে অপেক্ষা করছে আমিও দাড়ালাম পাশে। দেখি চিনতে পেরেছি এই ছেলেই সেই ছেলে আজ আমাদের অফিসে ম্যনেজার পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে এসেছে। দেখতে অসাধারণ হ্যন্ডসাম, চোখে একটা সাদা চশমা দেওয়া আছে দেখতে আরো ভদ্র লাগছে। আমি ছেলেটার সামনে দাড়িয়ে আছি কিন্তু এক বারের জন্যও তাকাল না। এ কেমন ছেলে রে বাবা। আর আমি যে সাজ দিয়েছি যে কেউ দেখলে চোখ সরাতে পারবে না কিন্তু সে একবারের জন্যও না তাকাতে আমি সত্যিই অনেক বিরক্ত বোধ হলাম। এর মদ্ধে লিফট চলে আসলো। আমি আগে দিয়ে লিফটে উঠলাম আর ছেলেটা আমার থেকে বেশ দূরত্ব রেখে লিফটে প্রবেশ করলো।

এখানে অবাক করা কথা হচ্ছে লিফটে প্রবেশ করেও আমার দিকে এক বারও তাকালো না। এবার আমার সত্যিই রাগ হতে লাগলো। আমার চেম্বার বাবার চেম্বারের পাশে পাচ তালাতে। পাচ প্রেস করে আমি এক পাশে দাড়িয়ে আছি। আমি যে পাচ প্রেস করেছি সেটা কেবল আড় চোখে তাকালো। তার পর আবার নিচে তাকিয়ে থাকলো। পাচ তালাই লিফট থামার সাথে সাথে আগে সে নেমে গেলো তার পর আমি ভাবতে ভাবতে পরে আমার চেম্বারে গিয়ে বসলাম। সাথে সাথে পানি দিতে বললাম। এই আগে আমি যেখানেই গিয়েছি ছেলেরা হা করে তাকিয়ে থাকেত আর আজ এতো সাজ গোজ করেও একবারের জন্যও। যাই হোক এসব আমার ব্যক্তিগত মনভাব এটা নিয়ে এতো চিন্তার কিছু নাই। বাবার রুমের সামনে দুইটা চেয়ার আছে ওখানে বসে আছে। আমার রুম থেকে ক্লিয়ার দেখা যাচ্ছে। আফিসের পিওন ওনাকে বসতে বলেছে আর তখন পিওনের কাছে জিজ্ঞেস করেছে এম,ডি স্যার কি আজ অফিসে আসেনি? পিওন বল্ল এখনো আসেনি তবে স্যারের মেয়ে এসছে। কথা বলা দেখে আমি আর এক জনকে দিয়ে পিওনকে ডাকাই আর জিজ্ঞেস করি কে ওখানে বসে আছে? তখন এসব কথা জানতে পারি।

আমি ছেলেটাকে আমার রুমে ডেকে পাঠাই পিওনের মাদ্ধ্যমে পিওনকে আরো বলে দেই যে ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্থুতি নিয়ে আসার জন্য।

রুমর এর সামনে দরজার সামনে থেকে বল্ল May i come in Madam? আমি বললাম জি আসুন। Please Take Your Sit সাথে সাথে সামনে রাখা চেয়ারে বসে পড়লেন।

আমি বললাম এখানে আজ বাবাকে থাকার কথা ছিল কিন্তু বাবা অফিসের কাজে বাইরে। যাই হোক আবার প্রথম প্রশ্নঃ লেখাপড়াই তো বেশ ভাল তবে এর আগে এতো সামান্য স্যলারি আর লোকাল কোম্পানিতে জব করেছেন কেনো? আপনি চাইলেই তো এর থেকে ভাল স্যালারির জব করতে পারতেন।

রোহান (ছেলেটি)ঃ আসলে ম্যাডাম আমি যে কাজ মন থেকে পছন্দ করি সে কাজ করি। স্যালারির সাথে কাজের সম্পর্ক নাই আমার কাছে।

আমি আমার প্রশ্ন করিঃ আচ্ছে এখানে জবটা কনফার্ম হলে আমাকে দেখে রাখবেন তো? কথা টা বলেই একটু ঘুরিয়ে বললাম যে আমাদের কম্পানি ভাল ভাবে দেখে রাখবেন তো?

রোহানঃ ম্যাডাম আমি আগেই বলেছি আমি কাজ ভালবাশি আশা করি আমার দায়িত্ব পালনে  যতাথ্র ভুমিকা রাখবো।

আরো পড়ুনঃ

 

আমি বললাম ও আচ্ছা কথাগুলো আমার কাছে বেশ প্রফেশনাল লাগছিলো।

পরে আবারও  আস্ক করলাম আমাদের কোম্পানির সব কাজ দেখুন এগুলো সব আপনাকে সামলাতে হবে। বাবা অন্য ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকে আর আমি তো তেমন কাজ বুঝি না।

রোহানঃ জি আচ্ছা ম্যডাম।

সিভির পাশে ৪০কে স্যলারি লিখে দেই লেখা দেখে বেশ খুশি খুশি দেখাচ্ছে রোহান কে।

অফিসের বস যখন বউ দ্বিতীয় পাট পড়তে এখানে ক্লক করুন

Leave a Comment